|
|
|
 |
বিভাগ: আকাশী স্বপ্ন ॥
যাদের
নিয়ে
এই
ওয়েবসাইট,
তাদের
জীবনটা
আমার
কাছে
সব
সময়ই
অন্য
জগতের
থাকবে।
আমি
সব
সময়ই
সে
জীবনকে
কেবল
জানালা
দিয়ে
উঁকি
দিয়ে
দেখতে
পারবো,
স্বপ্নগুলো
নেড়ে
চেড়ে
দেখতে
পারবো
যাদুঘরে
আর্টিফেক্ট
দেখার
মত
কিন্তু
সেগুলো
কখনও
আমার
হবে
না।
হুমায়নীয়
স্টাইলে
এক
দিন
ফুল
বিক্রি
করে
বা
কাগজ
কুড়িয়ে
অল্প
কিছু
উপার্জনও
করে
ফেলতে
পারি।
সারা
জীবন
সেটা
তৃপ্তির
সাথে
মনে
করা
ছাড়া
আর
কিছুই
করতে
হবে
না।
সেই
জীবনে
আমার
প্রবেশাধিকার
শূণ্য।
হবেই
বা
না
কেন।
ইন্টারনেট
প্রজন্মের
মানুষ
আমি।
আমার
বিনোদন
চ্যাটের
নেশায়
মত্ত
হওয়ায়,
ভার্চুয়াল
পৃথিবী
ভ্রমনে।
খালি
পায়ে
বাতাসের
আদর
গায়ে
মেখে
চুল
উড়িয়ে
টায়ারের
পিছনে
দৌঁড়াতে
কেমন
লাগে
সেটা
আমি
কি
করে
বুঝব?
ভাইয়ার
পুরানো
স্কুল
ব্যাগ,
পেন্সিল
বক্স,
বোনের
পুরানো
জামা
পড়েছি
বটে,
কিন্তু
পথের
ধারে
কার
না
কার
ফেলে
দেয়া
অমূল্য
রতন
টুকিয়ে
পাওয়ায়
কি
সুখ
সেটা আমি
জানব
কি
করে?
শীতের
সকালে
গ্রামের
বাড়িতে
মাটির
চুলার
ওমে
বসে
ভাপা
পিঠা
ফু
দিয়ে
খেতে
জানি,
কিন্তু
দেখুন,
ঢাকার
রাস্তা
থেকে
আগুন
ধরানোর
সমস্ত
উপকরণ
জড়ো
করে
রাজপথে
বসে
আগুন
ধরিয়ে
শীত
দূর
করার
থ্রিলের
সাথে
আমার
পরিচয়
নেই।
আমি
জানি
একজন
ইঞ্জিনিয়ার,
ডাক্তার
বা
শিক্ষক
হওয়ার
স্বপ্ন
দেখতে।
ট্যাম্পো
ড্রাইভার
হওয়ার
স্বপ্ন
দেখতে
জানি
না।
|
|
 |
 |
|
আশ্বাস ভরা করুনা নয় আর, পূর্নবাসন চাই
বিভাগ: ঘুড়ি
২২
শে
জানুয়ারি
বুলডোজার
ভাংচুরের
শব্দে
ঘুম
ভাঙ্গে
সেনপাড়া
বস্তিবাসীর।
আর
সবার
মতো
খুপড়ি
ছেড়ে
বাইরে
বেরিয়ে
শাহিদা
দেখে
তার
একমাত্র
চায়ের
দোকানটি
পিষে
ফেলেছে
দানব
বুলডোজার।
পঙ্গু
স্বামী
আর
৫
মেয়ে
নিয়ে
নিঃস্ব
শাহিদার
ভাবনাগুলো
এলোমেলো
হয়ে
যায়
হঠাৎ,
এখন
তারা
যাবে
কোথায়,
খাবে
কি?
সারাদেশে
অবৈধ
স্থাপনা
উচ্ছেদ
অভিযান
শুরু
হলে
তালিকা
থেকে
বাদ
যায়নি
কাঁচপুর
ব্রিজের
নিচে
গড়ে
ওঠা
সেনপাড়া
বস্তিটি।
এখনকার
বাসিন্দাদের
দাবি,
সরকার
তাদের
বুকে
ছুরি
চালিয়েছেন।
তারা
অবৈধ
দখলদার
নয়
স্বাধীনতার
পর
ব্রিজের
কাজ
শুরু
হলে
নাম
মাত্র
দামে
তাদের
ভিটেগুলো
সরকার
নিয়ে
নেয়,
যা
দিয়ে
অনেকের
বাড়ি
করার
সামর্থ্য
ছিল
না।
তাই
ব্রিজের
নিচেই
তারা
আবাসন
গড়ে
তোলে।
গত
৩৫
বছর
এখানে
তারা
বাস
করার
পর
২২
জানুয়ারি
বুঝতে
পেরেছে
তাদের
কোনো
ঠিকানা
নেই।
বস্তির
যেসব
মেয়ের
ঘরে
উপার্জনম
পুরুষ
নেই
তাদের
ঘর
ভাঙ্গার
কষ্ট
পাঁজর
ভাঙ্গার
কষ্টের
চেয়ে
ভয়াবহ।
|
|
 |
 |
মানুষতো মানুষেরই জন্যে
বিভাগ: অন্য আকাশ
এ
যেন
অভিশপ্ত
জীবনের
মধ্যে
ভয়ংকর
আরো
কয়েকটি
দিন।
শীতের
সঙ্গে
যুদ্ধ
করে
টিকে
থাকার।
তাদের
শীতে
পরার
মতো
কোনো
কাপড়-চোপড়
নেই।
শীতের
কাঁপুনিতে
কোলের
ওই
অবুঝ
শিশুটিকে
সান্তনা
দেওয়ার
মতো
মায়ের
কোনো
ভাষা
জানা
নেই।
শীতের
মধ্যে
ষাটোর্ধ্ব
বৃদ্ধ
মহিলার
ছেঁড়া
কাপড়েই
শীত
নিবারণের
প্রাণান্ত
চেষ্টা
চলে।
ভাঙা
ঘরের
বেড়ার
ফাঁক
দিয়ে
ঢোকা
ঝিরিঝিরি
হিমেল
হাওয়ার
গা
কাঁপানো-
এসবই
তাদের
কপালের
লিখন।
হতদরিদ্র
ও
শ্রমজীবী
মানুষের
শীত
মানেই
দুর্ভোগের
আরেকটি
জীবন।
শীতার্তদের
পাশে
দাঁড়ানোর
মতো
মানুষের
সংখ্যা
নগণ্য।
কোথায়
সমাজের
বিত্তবান-শিল্পপতিরা,
রাজনৈতিক
নেতা,
সরকারী-বেসরকারী
প্রতিষ্ঠান,
এন.জি.ও?
এতটুকুও
কি
দয়ামায়া
নেই
তাদের
মাঝে?
রাস্তায়
বা
মঞ্চে
দাঁড়িয়ে
গলাভরা
বক্তৃতা
নয়,
মিথ্যা
আশ্বাসে
বুক
ভরানো
নয়,
গরিব,
দুস্থ
ও
অসহায়
মানুষের
পাশে
দাঁড়ানো
এবং
তাদের
মধ্যে
শীতবস্ত্র
বিতরণই
মানবিকতার
পরিচয়।
যাদের
মাথাগোঁজার
ঠাঁই
নেই;
তাদের
জীবন
কাটছে
রাস্তার
পাশে,
দোকানের
বারান্দায়,
শপিং
সেন্টারের
সামনে
ও
রেলষ্টেশনের
প্লাটফর্মে।
খালি
গায়ে,
পলিথিন
বা
রাস্তায়
লাগানো
বিভিন্ন
ফেস্টুনের
ছেঁড়া-ফাটা
অংশ
বা
বস্তা
দিয়ে
গুটিসুটি
মেরে
ঘুমিয়ে
পড়ছে
তারা।
কিন্তু
কেন?
তারাও
তো
মানুষ!
|
|
 |
|