যারা ওড়ায় ঘুড়ি :
আমাদের কথা
কৃতজ্ঞতা স্বীকার
 
    ক্যাটেগরী :
 

বনে আগুন লেগেছে। বড় বড় জন্তু জানোয়ার বনের প্রান্তে দাঁড়িয়ে অসহায়ের মতো বাসভূমি পুড়তে দেখছে। ছোট্ট এক টুনটুনি কিন্তু ঝরণায় গিয়ে ঠোঁটে একফোঁটা করে পানি আনে আর আগুনে ঢালে। বড়রা বলে, কি পাগল তুমি! অনর্থক কেন এটা করছো? টুনটুনি থামে না, বলে, ‘আমার যতটুকু সামর্থ্য আমি ততটুকু করছি।

 

আমরা বিত্তবান না হলেও টুনটুনির মত করে এসকল দারিদ্রপীড়িত, অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে চাই। সম্পূর্ণরূপে এদেশ থেকে দারিদ্র বৈষম্যের পার্থক্য দূর হবে না হয়তো। কিন্তু আমরা চেষ্টা করে যাব হত দরিদ্র মানুষগুলোর ভেতরে জাগরণ সৃষ্টি করতে। অন্তত না পারার স্পর্শ নিয়ে বেঁচে থাকায় যে যাতনা... তা থেকেতো আমরা মুক্তি পাব! একাজে আমরা কোনো বিত্তবান মানুষের সহযোগীতা চাইনা। আমরা চাই বিবেকবান মানুষের ভালোবাসা। তাদের ছোট ছোট ভালোবাসা বিশাল আকাশ হয়ে ধরা দিক ছোট ছোট স্বপ্ন দেখতে থাকা অসহায় মানুষগুলোর কাছে।

 

স্বপ্নটা বহু পুরনো আমাদের। সীমাবদ্ধতার জালে আটকে আছি আমরা। স্বপ্নটা সত্যি করার মাঝে অনেক সমস্যা এসেছে... আর্থিক, সামাজিক এবং সর্বোপরি নিজেদের টিকিয়ে রাখাটাও একটা সমস্যা বৈকি। ঘাস ফড়িং আত্মপ্রকাশ করেছিল ৮জন সদস্য নিয়ে। উদ্যেক্তা ছাড়া বাকী ৭জনের চিন্তাধারা ছিল ব্যবসায়িক, কিভাবে টাকা কামানো যায় তার সহজ রাস্তা খোঁজা-খুঁজি! কিন্তু মনমানসিকতায় মিল না হওয়ায় উদ্যেক্তা সরে আসে। এরপর সে একে একে খুঁজে নেয় সম মানসিকতার মানুষদের। অবশেষে এদের নিয়েই এখন ঘাস ফড়িং উড়ছে। খুব উঁচু দিয়ে নয়, তবু উড়ছে তো!

সাইটটি মূলত অবহেলিত শিশু/কিশোরদের নিয়েই করা। পাশাপাশি সব বয়সের অবহেলিত মানুষের জীবন-চক্রও আমরা পর্যায়ক্রমে তুলে ধরার চেষ্টা করবো। খুব তাড়াহুড়ো করে ওয়েব ডিজাইন করা হয়েছে। সব লিংক এখনো আমরা সচল করতে পারিনি। তবে, আমরা আশা করবো ১ মাসের মধ্যে সব লিংক এবং পুরো সাইটটা সম্পূর্ণরূপে আপনাদের সামনে তুলে ধরার। আপনারা আমাদের এই সীমাবদ্ধতা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন বলে আশা রাখি। (২১ ফেব্রুয়ারী, ২০০৭ইং) 

প্রথম পাতাএবং আমরা আমাদের কথাআমাদের লক্ষ্যআমাদের সমস্যাআমাদের কর্মসূচী আমাদের প্রতিচ্ছবি
ঘাস ফড়িং কর্তৃক সকল স্বত্ব সংরক্ষিত
ঘাস ফড়িং একটি অলাভজনক ও গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান