টুকিটাকি :
গ্রামীন শিশু
দূরন্ত শৈশব/কৈশোর
একটু অন্যরকম
 
    ক্যাটেগরী :
 
    সাম্প্রতিক খবর :
সাইটটি প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় আছে। খুব শীঘ্রই এর কাজ শেষ হবে। আমরা আশা করবো আপনারা আমাদের এই সীমাবদ্ধতা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন... ধন্যবাদ। ঘাস ফড়িং টিম। ২১/০২/২০০৭ইং।
 
ঢাকা শহরের মাদকাসক্ত শিশুদের পরিসংখ্যান
বিভাগ: নগর শিশু 

ঢাকা শহরে মাদকাসক্ত (সিগারেট বাদে) শিশু অন্তত ৪ হাজার। এদের অধিকাংশ টোকাই বাকীরা চুরি পকেটমারসহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত এবং কিছু সংখ্যক কুলি, রিকশা শ্রমিক ও ছোটখাটো পেশায় নিয়োজিত। গত ৩০শে জানুয়ারী, ২০০৭ইং সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম ঢাকা শহরে শিশুদের মাদক গ্রহণের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কিত এক গবেষণা রিপোর্ট ঐ তথ্য প্রকাশ করে। উক্ত রিপোর্টের উপর এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার ফোরামের চেয়ারর্পাসন ওয়াহিদা বানু। বক্তব্য রাখেন পরিচালক ওয়াই এম মোশারফ হোসেন, টিডি এইচ নেদারল্যান্ড এর কোঃ অর্ডিনেটর মাহমুদুল কবীর।

রিপোর্টে বলা হয় যে, ঢাকা শহরের ২৮টি থানায় মোট ২২৯টি চিহ্নিত স্থানে মাদকাসক্ত শিশুদের উপর জরিপ চালানো হয়। এতে ৩ হাজার ৬২৫ জন মাদকাসক্ত সিগারেট আসক্ত শিশু পাওয়া যায়। এর মধ্যে হেরোইন সেবনকারী ৭৭৫ জন, গাজা সেবনকারী ২৭৬০ জন এবং সুচের মাধ্যমে মাদক গ্রহণ করে ৯০ জন। এসব শিশুর মধ্যে ৫০ দশমিক ৪ শতাংশ টোকাই, শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ পকেটমার। ১১ দশমিক ৯ শতাংশ চুরি, ২ দশমিক ১ শতাংশ ছোটখাটো ব্যবসা ও ১৭ শতাংশ শিশু কুলি, ভিাবৃত্তিসহ বিভিন্ন পেশায় রয়েছে। এসব শিশু প্রতিদিন ১২০ থেকে ১০ টাকা মাদকের পিছে ব্যয় করে।

কিন্তু মানুষই সাহায্য করবে মানুষকে। তারা চেয়ে আছে কখন আসবেন সমাজের সেই বিবেকবান মানুষ, এক টুকরো গরম কাপড় নিয়ে এবং বিলিয়ে দেবেন তাদের মাঝে। এই হাড় কাঁপানো কনকনে শীতে এর চেয়ে আর বেশি কিছু চাওয়া নেই তাদের। গরিব, অসহায় দুস্থ মানুষের জন্য কি কিছুই করার নেই আমাদের সমাজের বিত্তশালীদের? শীতবস্ত্রের জন্য হন্যে হয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরে অনেকেই বিফল হয়েছেন। সরকারিভাবে কোনো শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়নি তাদের মধ্যে। অনেকে শীত সহ্য করতে না পেরে চিরতরে বিদায়ও নিয়েছেন। হয়তো এটাই তাদের নিয়তি। এখনো যারা হাড় কাঁপানো শীতকে আঁকড়ে ধরে আছে; বেঁচে থাকার জন্য তাদের জন্য কিছু একটা করার সময় শেষ হয়ে যায়নি। দেশে এনজিওগুলোও এগিয়ে আসতে পারে দুস্থ, অসহায় গরিব লোকজনের সাহায্যার্থে। আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে যে যতটুকু পারি সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে শীতার্ত মানুষকে বাঁচানোর জন্য। আমাদের দেওয়া একটি শীতবস্ত্র থামাতে পারে গরিব মায়ের কোলের অবুঝ শিশুটির কান্না, ষাটোর্ধ্ব মহিলার গায়ের শীতের কাঁপুনি। আমরা কি পারিনা আমাদের সুপ্ত বিবেককে জাগিয়ে তুলতে, পারিনা কি এসব দুস্থ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে। যে শুধু পেট ভরে খাওয়ার জন্য মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করে? [ বিস্তারিত পড়ুন ] 
প্রথম পাতাযারা ওড়ায় ঘুড়ি আকাশী স্বপ্নঘুড়িবাঁচার লড়াইআলো-ছায়া অন্য আকাশ  প্রতিভা   পথের খোঁজে  আলোকিত পৃথিবী 
ঘাস ফড়িং কর্তৃক সকল স্বত্ব সংরক্ষিত
ঘাস ফড়িং একটি অলাভজনক ও গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান